পশ্চিম আফ্রিকায় অবস্থিত বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আকরিক লোহা খনি প্রকল্প সিমান্দু। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন কার্যক্রম চলতি বছরের শেষে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সে সময় পণ্যটির সরবরাহ অনেক বাড়তে পারে। তাই উৎপাদন কার্যক্রম শুরুর আগেই অন্যান্য দেশের কোম্পানিগুলো রফতানি বাড়াতে চায়। এ কারণে ইস্পাত চাহিদায় অব্যাহত দুর্বলতা সত্ত্বেও ২০২৫ সালে আকরিক লোহা আমদানি বাড়াতে পারে শীর্ষ ব্যবহারকারী দেশ চীন। রয়টার্সের এক জরিপে সাতজন বিশ্লেষক ও দুজন ব্যবসায়ী এ তথ্য জানান।
ব্যবসায়ীরা জানান, বাড়তি আমদানির মূল কারণ হবে অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিলের মতো প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলোর রফতানি বৃদ্ধি। ২০২৫ সালে চীনের আকরিক লোহা আমদানি আগের তুলনায় এক-চার কোটি টন বাড়তে পারে। এ সময় মোট আমদানি পৌঁছতে পারে ১২৭ কোটি টনে।
কনসালট্যান্সি প্রতিষ্ঠান স্টিলহোমের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে আকরিক লোহার দাম কমে টনপ্রতি ৭৫-১২০ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে। ২০২৪ সালে এটির দাম ছিল গড়ে ৮৮-১৪৪ ডলার।
বৈশ্বিক আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান ইউবিএসের ইএমইএ মাইনিং বিভাগের প্রধান মাইলস অলসপ বলেন, ‘আমাদের মৌলিক ধারণা হলো ২০২৫ সালে আকরিক লোহার অতিরিক্ত সরবরাহ বজায় থাকবে। এ সময় পণ্যটির দাম থাকতে পারে টনপ্রতি ৯৫-১০০ ডলারের মধ্যে। এছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরও আকরিক লোহার অতিরিক্ত সরবরাহ বজায় থাকতে পারে। সে সময় দাম আরো কমে যাবে।’